ছোটদের কথা
ছোটদের কথা
ছবিটা দেখে ভয়ে অস্থির হয়ে উঠবে না এইটুকু অনুরোধ।
ঘরের মধ্যে বিভিন্ন আসবাবপত্র, শোয়ার ঘরের বালিশে, চাদরে, কম্বলে, আলমারিতে, ফ্যানে, যেখানে সেখানে একটু অন্ধকার আর স্যাঁতসেঁতে জায়গা পেলেই এরা জমিয়ে বাসা করে থাকে।
আটটি ঠ্যাংওয়ালা লোমশ ভয়ঙ্কর দর্শন এই প্রাণীটি হোল ডাস্ট মাইট। খালি চোখে আমরা দেখতে পাই না। আমরা একটা মাইক্রোস্কোপ দিয়ে দেখলে দেখতে পাওয়া যায়। ডাস্ট অ্যালার্জিটা হয় এদের মল আর এদের পচা গলা মৃত শরীর অবশিষ্ট থেকে। ‘ডাস্ট মাইটের ড্রপিং’ ভীষণ একটা অ্যালার্জেন।
হাঁচি, কাশি, সর্দি, চোখ লাল হওয়া, চামড়ার লাল দাগ, হাঁপানি শ্বাসকষ্ট হতে পারে এদের জন্য।
গরম, আর্দ্র, অন্ধকার পরিবেশ এদের স্বর্গরাজ্য।
মনে রাখতে হবে ভেজা ভেজা ভাব আর অন্ধকার এদের অনুকূল পরিবেশ। এরা একে বারে ঘরের শত্রু। এই শত্রুকে চিনতে হবে। শত্রুর যাতে বাড়বাড়ন্ত না হয় তার একটা উপায়ও বের হবে তাহলে। আগে আমরা জেনেছি এরা অন্ধকার পছ¨ করে আলো সহ্য করতে পারে না। তাই দরজা জানলা খুলে দাও যাতে যথেষ্ট আলো পাওয়া যায়। ঘরকে যতটা পারা যায় শুকনো রাখতে হবে। বন্ধ থাকা অবস্থায় ঘর ঝাঁট দেওয়া, মোছা করা যাবে না। বিছানা বালিশ বেশ ভালো করে ঝেড়ে নিতে হবে। শোয়ার আগে এবং ঘুম থেকে উঠে। এদের একটা বড় আশ্রয় হোলো বিছানা বালিশ এছাড়া পর্দা তোয়ালে গামছা এসব জায়গায় এদের বাড়বাড়ন্ত। শোয়ার ঘরে বেশি আসবাবপত্র না রাখাই ভালো।
সাবধান থাকতে হবে। এমনিতেই করোনা পরবর্তী সময়ে করোনার টিকা নেওয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অল্পেতেই হাঁচি কাশি এবং বেশি বেশি করে হাঁচি কাশি হয়। আগে পাঁচটা হাঁচি হয়ে থাকলে এখন পঁচিশটা হচ্ছে। তাই, বেশি বাড়াবাড়ি হলে অবশ্যই ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে ব্যবস্থা নিতে হবে। কিন্তু ওষুধের আগেই সাবধান সতর্ক হতে হবে। ঘরে ধুলো থাকতে দিলে হবে না।